Diagnostic Tests
ফাইব্রোস্ক্যান কী? লিভার পরীক্ষার আধুনিক ও ব্যথামুক্ত পদ্ধতি
ফাইব্রোস্ক্যান কী?
ফাইব্রোস্ক্যান একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র যা দিয়ে লিভারের ফাইব্রোসিস বা শক্ত হয়ে যাওয়ার মাত্রা নির্ণয় করা হয়। এটি একটি নন-ইনভেসিভ পদ্ধতি, অর্থাৎ এতে কোনো কাটাছেঁড়া বা ব্যথা হয় না। ফাইব্রোস্ক্যানের মাধ্যমে লিভারের ফাইব্রোসিসের অবস্থা খুব সহজে জানা যায়।
ফাইব্রোস্ক্যান কেন করা হয়?
লিভারের বিভিন্ন সমস্যায় ফাইব্রোস্ক্যান করা হয়ে থাকে, যেমন—
- ক্রনিক হেপাটাইটিস (বি, সি)
- ফ্যাটি লিভার
- লিভার সিরোসিস
- অ্যালকোহলজনিত লিভার ডিজিজ
- লিভারের ক্ষতির মাত্রা নির্ণয়
- চিকিৎসার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করার জন্য
এইসব রোগের কারণে লিভারের লিভার স্টেফনেস হতে পারে বা লিভার টিস্যু শক্ত হয়ে যায় যা পরবর্তীতে সিরোসিসে রূপ নিতে পারে। সুতরাং এইসব রোগ হলে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষা করা যায়। লিভারের অবস্থা জানার জন্য যে কোন সুস্থ ব্যক্তি ও রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ফাইব্রোস্ক্যান করাতে পারেন।
প্রস্তুতি
ফাইব্রোস্ক্যান করার আগে সাধারণত ২–৩ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়।
রিপোর্ট
পরীক্ষাটি সম্পন্ন হতে ১০ মিনিটের মতো সময় লাগে এবং রিপোর্ট সাধারণত সাথে সাথেই দেওয়া হয়।
ফাইব্রোস্ক্যানের সুবিধাগুলো কী কী?
- ব্যথামুক্ত পদ্ধতি, কোনো কাটা বা সেলাইয়ের প্রয়োজন হয় না
- খুব কম সময় লাগে (৫ থেকে ১০ মিনিট)
- নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
- দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়
- গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্যও নিরাপদ
- বারবার করা যায়, কোনো ঝুঁকি নেই
- হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হয় না
- লিভারের ক্ষতির পরিমাণ নির্ভুলভাবে জানা যায়
- লিভার বায়োপসির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়
ফাইব্রোস্ক্যান কোথায় করা যায়?
পেটে প্রোব লাগানো হয় (এলাস্টোগ্রাফি)
Reference:
ফাইব্রোস্ক্যান কী? লিভার পরীক্ষার আধুনিক ও ব্যথামুক্ত পদ্ধতি
Hospital Leaflet
More Health Tips:
Practical Health Advice & Medical Guidelines
Health Tips
Peripheral Arterial Disease (PAD)
আপনি কি নিচের কোনো উপসর্গে ভুগছেন?
- শারীরিক ক্রিয়াকালাপের সাথে পায়ে ব্যাথা যেমন হাঁটার সময় ব্যথা, যা বিশ্রামের পরে ভালো হয়ে যায়
- ত্বকের রঙের পরিবর্তন (যেমন লালচে ভাব)
- বিশ্রামকালীন সময়ে পায়ের আঙুলে ব্যথা অনুভব করা ও পায়ে জ্বালা করা
- পায়ের ত্বক শীতল হওয়া
- পায়ে প্রায়ই ত্বক এবং নরম টিস্যু সংক্রমণ হওয়া
- পায়ের পাতা বা আঙুল ফুলে যাওয়া ও তা সহজে ভালো না হওয়া
- পায়ের গোড়ালি বা আঙুলে ব্যথা (বিশেষ করে রাতে বা হাঁটার সময়)
- পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ অনুভূতি
- পায়ে ঘা বা ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD)
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ হল এমন একটি অবস্থা যেখানে ধমনী সরু হয়ে বাহু বা পায়ে রক্ত প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। PAD কে Arteriosclerosis Obliterans (ASO)ও বলা হয়। এটি প্রাথমিক ভাবে ধমনীতে ফ্যাটি প্লেক তৈরির কারণে ঘটে, যাকে এথেরোসক্লেরোসিস বলা হয়।
পায়ে রক্তে প্রবাহের সীমাবদ্ধতার কারণে এই উপসর্গ গুলো দেখা দিতে পারে। যদি সময়মতো এই অবস্থার চিকিৎসা না করা হয় তবে আপনার পা হারানো সম্ভাবনা থাকে
কিভাবে চিকিৎসা করা যেতে পারে?
এনজিওপ্লাস্টিক
ধমনীর অবরুদ্ধ বা এর সংকীর্ণ অংশের ভিতরে একটি ছোট বেলুন ফুলিয়ে এটি প্রশস্ত করা হয়
আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্ট
এই প্রক্রিয়ায় আপনার শরীরের অন্য অংশ থেকে রক্তনালী নিয়ে বাইপাস তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
রোগের অবস্থা অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসার ভিন্নতা থাকে।
কারা ঝুঁকিতে থাকে?
- উচ্চ রক্তচাপ
- রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি
- ধূমপান বা তামাক
- ডায়াবেটিস
- স্থূলতা
- বয়স ৬০ বছরের উপরে
এই রোগ প্রতিরোধে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরী
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা ডক্টর অ্যাপার্টমেন্টের জন্য কল করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:01822-799777